নীলকন্ঠের ভেকধারী
উন্মাদ ঘরে ফিরে আসলে তাকে স্নান করাচ্ছে আঁধার। সৃষ্টি আর ধ্বংস জুড়ে ছড়িয়ে থাকা শ্মশান। সেখানে যে মৃতরা উঠে বসে তাদের না আছে ফেলে আসা না চলে যাওয়া। গাঁজার পরতে পরতে যে মোলায়েম মায়া তাকে নিয়ে আগুন খুশি নয়। ঝলসে যাচ্ছে যে দেহ তার ও ভালবাসা চাই। তাকে পরিবার ভেবে নিজেকে খানিক পুড়িয়ে নিতে পারছে ডোমেরা। ফলপাকুড়ের মাঝে শরীর জন্মাচ্ছে আর শিকারীর নিমীলিত ধূর্ততায় মেয়েটির অনুনয় ঝরে বিল্বপত্রে। মিশে যেতে থাকে দারচিনি আর এলাচের গন্ধের ন্যায় ঝাঁঝালো কামনা। আমাকে উচ্ছৃঙ্খল করে দাও পাগল। যাতে সমস্ত নদীকে এক দলা সন্তান ভেবে পালন করতে পারি। তোমাকে হিংসা করি উন্মাদ, তোমার থেকে কেড়ে নিতে চাই ওই বিষকন্ঠ। সলজ্জ অন্ধকার জুড়ে মন্ত্র পাঠ চলছে। নেশা একটা উপাসনা যাকে প্রহরে লালন করছি। অশান্ত সুখ বিষাদের মতোই বড় ব্যক্তিগত।

No comments:
Post a Comment