একটি শারীরিক কবিতা
একদিন হুস করে তুমি দিনের ভিতর ঢুকে এলে।
তরপর রোজ টুকে রাখি সমূহ বিলাপ। নৈঃশব্দ্যের গর্জন।
কুচি কুচি কাগজ উড়িয়ে লিখে দিই দিনান্তের প্রস্তাবনা। ও ঠোঁটের কাছে আত্মহত্যার মতো গোপন কোনো স্পর্শসুখ নেমে আসে আহত বৃষ্টির মতো
ছবিগুলি শুকিয়ে আছে দাগে, আঁচড়ে, ক্ষতের অধিক ক্ষতে
শূন্য খেত, ধু ধু আলপথে যেভাবে উপুর হয় জ্যোৎস্না সেভাবে কবে যেন এক বিন্দু ঘোর লাগা তোমার মণিকাঞ্চন ছুঁয়ে তিরতিরে নদী জেগে ওঠে। আমি ডুবে যেতে যেতে একবার হাঁ মুখে এসে লেগেছিল তরল আগুন
সেই আমার উম্মাদের মোহ অথবা মোহের উম্মাদ
আগুনের ভাপে ঘেমে ওঠা এ শরীর এখন শীতল। শীতলতা ছুঁয়ে বসে আছ তুমি। যেন আগলে রেখেছ দেহ, যেভাবে প্রতিটি ধ্বংসকে আগলে আছে নিয়তির আঁচল...

খুব সুন্দর।
ReplyDelete