"যে ভাবে বেঁচে আছি..."
সঙ্ঘে আপত্তি ছিল!
নিভৃতের গ্রাম বুনে বুনে
ধীরে ধীরে হেঁটে হেঁটে গেছি
কবিদের পাড়া থেকে দূরে
নিভৃতি পাহাড় নাম
ঠিক তার কোল জুড়ে বাড়ি
কুমারীর দুধফুল
বারান্দা পরগাছা নারী
এইসব শুঁকে শুঁকে
কবি আজ স্থাণু পটরেখা
আলগোছে হারিয়েছে
যাবতীয় কবিতার খাতা
হারিয়েই শান্ত সে
যেভাবে শীতল হয় গ্রাম
পরিযায়ী চিঠিগুলো
খুলে খুলে রেখে দেওয়া খাম
সেসব প্রাচীন ঋতু
কবিতায় শিশিরের ছাপ
অন্ধ বাঘের ভয়
তুলে নিয়ে চলে যায় রাত
গ্রাম রেখা পেরিয়েও
নিভৃতির পাহাড়িয়া বন
রাত্রির মৃত দেহ ..
সেইখানে সাধভক্ষন
অন্ধ বাঘের খিদে
খুবলেছে রাতের শরীর
তারপর নিভে গেছে
আসমান, তারাছেঁড়া পরী
অনেকদিনের কথা
সেই এক রাতখেকো বাঘ
নিভৃতের গ্রাম ভাবে
আছে কোনো দুঃসংবাদ?
রাত্রির মৃতদেহে
কী আজব বলিরেখা পড়ে
বাঘের দাঁতের ক্ষত
শুকিয়েছে বয়সের ভারে
রাত তবে মরে নি তো
অসহ্য যন্ত্রণা সয়ে
শেষতক চেয়েছিল
ব্যাঘ্রের চোখদুটো জুড়ে

No comments:
Post a Comment